April 20, 2026, 4:26 am

মহেশপুর সিমান্তে বিজিবির অভিযানে সোনারবারসহ আটক-১

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহের মহেশপুর ৫৮ বিজিবি অভিযান চালিয়ে ১২টি সোনার বারসহ শাহাবুল ইসলাম নামে এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে। শাহাবুল চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মেদিনীপুর গ্রামের আলী আহম্মসদের ছেলে। সোমবার রাতে মহেশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম খান এক ই-মেইল বার্তায় এ খবর জানান। ই-মেইল বার্তায় উল্লেখ করা হয়, গোপন সুত্রে খবর পেয়ে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর অধিনস্ত মেদিনীপুর বিওপির নায়েক নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টহল দল চুয়াডাংগা জেলার জীবননগর থানার মেদিনীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে শাহাবুলকে মটরসাইকেলসহ আটক করে। এ সময় তার শার্ট ও প্যান্টের দুই পকেটে কসটেপ দিয়ে ০৩টি প্যাকেটে মোড়ানো অবস্থায় এক কেজি ৩৯৭ গ্রাম ওজনের ১২টি সোনার বার, একটি ডিসকভার ১১০ সিসি মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। এ সময় অপর দুই চোরাকারবারি মোঃ ওয়াসিম মিয়া (৩৫) এবং মোঃ রাশেদ আলী (৩০) পালিয়ে যায়।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা